+
জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার
জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার

জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার

জামায়াতের ২৫ জনের প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে সোমবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এমনটি জানিয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘আমরা হাইকোর্টের চিঠিটা আজ (বৃহস্পতিবার) পেয়েছি। বিষয়টি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে আইন শাখাতে বলেছি। যাতে কমিশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।

 

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান ইসি সচিব। ইসি সচিব, নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে তিন কার্যদিবসের মধ্যে রুলের নিষ্পত্তি করতে। আমরা যেহেতু আজকে পেয়েছি, আমাদের হাতে আরও দুই কার্যদিবস আছে । এই সময়ের মধ্যে আমরা একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে দেব। যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্চেন।তাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সোমবার একটি রিট হয়েছে হাইকোর্ট বেঞ্চে। কোর্ট তিন দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন।

বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ নির্দেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। রিট আবেদনটি করেন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, মো. আলী হোসেন, মো. এমদাদুল হক ও হুমায়ুন কবির। রিটে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ২২ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনজন জামায়াত প্রার্থীর ভোটে অংশগ্রহণের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়। আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

সোমবারের শুনানিতে ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর বলেন, জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ২০০৯ সালে রিট করা হয়। পরে হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে। ওই রায়ে বলা হয়, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০বি (১)(বি)(২) এবং ৯০সি অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও সংবিধান পরিপন্থী। রায় এখনও বহাল। তিনি বলেন, যেহেতু জামায়াতের নিবন্ধন নেই, সেহেতু ওই দলের কোনো নেতা নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে পারছেন না। অন্য দলের প্রতীকেও তাদের ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। এর পরও জামায়াতের নেতাদের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে ইসি হাইকোর্টের রায় ও গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের বিভিন্ন বিধির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এ পর্যায়ে আদালত বলেন, জামায়াতের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা সেটি দেখার দায়িত্ব ইসির। কমিশনের কাজ আমরা করব না। আমরা শুধু রুল জারি করতে চাই। পরে হাইকোর্ট আজ পরবর্তী শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন।



Published: 2018-12-20 14:59:20