+
চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যা স্কুলছাত্রকে
চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যা স্কুলছাত্রকে

চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যা স্কুলছাত্রকে

নেশার জন্য দাবিকৃত টাকা না পাওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রশিদ মিয়াকে কুপিয়ে আহত করে চলন্ত বাসের নিচে ফেলে দিয়ে  হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

এমন অভিযোগ করেছেন নিহত স্কুলছাত্রের পরিবার।এ ঘটনায় রংপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেছে নিহতের বাবা শহীদার রহমান।বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর নগরীর সাতগাড়া টেক্সটাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে রশিদের বড় ভাই মোহন মিয়ার কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছিল সন্ত্রাসী মোজাফফর। টাকা না পেয়ে তারা ঘটনার তিনদিন পূর্বে মোহনকে মারধর করে।

এ ঘটনার বিচার চেয়ে মোজাফফরের বাবার কাছে অভিযোগ করেন মোহন। এতে ক্ষিপ্ত হয় মোজাফ্ফর। এরপর সে তার সহযোগীদের নিয়ে মোহন মিয়ার ছোট ভাই স্কুলছাত্র আব্দুর রশিদকে একা পেয়ে গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নগরীর টেক্সটাইল মোড়ে আটক করে।

পরে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর একটি চলন্ত বাসের নিচে ফেলে দিয়ে হত্যা করে মোজাফফরসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী। নিহত আব্দুর রশিদের ফুপু নাজমা বেগম জানান, রাতে টেক্সটাইল মোড় দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি আমার ভাতিজা রশিদকে মোজাফফর, মন্টি, জয়, বেলালসহ বেশ কয়েকজন লাঠি ও ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে।

আমি দৌড়ে গিয়ে রশিদকে রক্ষার চেষ্টা করি। কিন্তু মোজাফফররা আমাকে ফেলে দিয়ে রশিদকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এ সময় ওই মহাসড়ক দিয়ে যাওয়া একটি চলন্ত বাসের নিচে রশিদকে ফেলে দিয়ে হত্যা করে তারা।

অপরদিকে নিহত রশিদের বড় ভাই মোহন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, মোজাফফর একজন সন্ত্রাসী। সে নেশা করার জন্য তার কাছে প্রায় টাকা দাবি করত। টাকা না দেয়ায় তারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই। নিহত রশিদের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার জুমারনামাজের পর দাফন করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রশীদ জানান, তার লাশ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে শুক্রবার বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য সাঁড়াশি অভিযান চলছে।



Published: 2019-08-30 21:34:56